‘মানুষের তুলনায় পশুদের বিশ্বাস করা সহজ’, সম্পর্কের টানাপড়েন নিয়ে বিস্ফোরক মোনালি!
পঁচিশ সালেই শোনা গিয়েছিল, ডিভোর্সের পথে হাঁটতে চলেছেন মোনালি ঠাকুর। সেসময়ে তাঁর ব্যক্তিগতজীবনের টানাপোড়েন নিয়ে কম চর্চা হয়নি। গায়িকার আবেগঘন এক পোস্টে দাম্পত্যে মানসিক ও শারীরিক হেনস্থার ইঙ্গিত মিলেছিল। যদিও সম্পর্ক নিয়ে এরপর আর ‘টুঁ’ শব্দটি করেননি মোনালি, তবে নেতিবাচকতা সরিয়ে নিজের ছন্দে জীবনে এগিয়ে গিয়েছেন। এবার পশুর সঙ্গে মানুষের তুলনা টেনে কী বললেন মোনালি?
সুরের জগতে মোনালি ঠাকুরের সাবলীল যাতায়াত। বহু হিট গানের পাশে উজ্জ্বল তাঁর নাম। ঝুলিতে একাধিক পুরস্কারও। এবার নিজস্ব পোশাক ব্র্যান্ড তৈরি করেছেন মোনালি। ‘ঠাকুরাইন’ কালেকশন ইতিমধ্যেই সোশাল মিডিয়ায় বেশ জনপ্রিয়। শাড়ির প্রতি ভালোবাসা থেকেই মোনালির এই দ্বিতীয় ইনিংসের শুরু। গায়িকার কথায়, “আমাদের ভারতীয় সংস্কৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধ। বহু গুণী শিল্পীরা শাড়িতে নকশা ফুটিয়ে তোলেন। সেগুলোই বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দিতে চেয়েছি।”
পশ্চিমবঙ্গ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান-সহ দক্ষিণের বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী শাড়ি রয়েছে মোনালির কালেকশনে। ইচ্ছে সবার মধ্যে তাঁর ‘ঠাকুরাইন’কে পৌঁছে দেওয়া। যাতে সবাই সাধ্যের মধ্যে সাধপূরণ করতে পারেন। কিন্তু এখন বড় চ্যালেঞ্জ ‘ফার্স্ট কপি’। উদ্বিগ্ন মোনালির বক্তব্য, “আমাদের এখানে আসল জিনিসের কদর খুব একটা করা হয় না। আসল জিনিসের দামের ফারাক অত্যন্ত বেশি হয়ে যায়। সেই তুলনায় বাজার কপিড প্রোডাক্টে ছেয়ে গিয়েছে।”
হঠাৎ তাঁর গানের জগৎ ছেড়ে ব্যবসা শুরুর নেপথ্যের কারণ জানতে চাওয়ায় অকপট মোনালি বললেন, “আমি নতুন ব্যবসা শুরু করেছি আমার শখে, আমার ভালোবাসায়। এটা আমার রোজগারের মূল উৎস নয়। আমি বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে দেখেছি ভারতীয় জিনিসের কদর কতখানি। সেই মতো কদর কিন্তু আমাদের দেশে দেওয়া হয় না।”
হ্যালো! আমি Samapti, একজন ক্রিয়েটিভ কনটেন্ট নির্মাতা এবং ডিজিটাল স্টোরিটেলার। আমি আইডিয়াগুলোকে এমনভাবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করি, যাতে কেবল তথ্যপূর্ণ নয়, পাঠকের জন্য আকর্ষণীয় এবং সহজে বোধ্যও হয়।
